সাবধান জেনে নিন , রাত জাগলে কি হয় , এবং তার ক্ষতিকর দিক গুলো:
সাবধান জেনে নিন , রাত জাগলে কি হয় , এবং তার ক্ষতিকর দিক গুলো:
আমরা কাজের কারণে কখনো দীর্ঘ সময় রাত জাগতে হয়। কিন্তু রাত প্রতিনিয়ত জাগার কারণে একটা সময় অভ্যাসে পরিণত হয়।এই রাত জাগা কারণে আপনার মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে ।
একজন মানুষ সুস্থ ও ভালো থাকার জন্য নিয়মিত সঠিক সময়ে ঘুম দরকার, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন । তাহলে শরীর মস্তিষ্ক এবং সবকিছুই সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকবে।
আবার বয়স অনুযায়ী ঘুমের চাহিদা বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দৈনিক সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমাবেন। এবং শিশুদের দৈনিক ৯ থেকে ১৩ ঘন্টা ঘুমানো দরকার। এবং বাচ্চাদের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন ১২ থেকে ১৭ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন।
আপনারা নিয়মিত ঘুমানোর মাধ্যমে আপনাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক আকারে বৃদ্ধি পাবে। এবং শরীর থেকে টক্সিন নামক পদার্থ বের করে দিয়ে আপনার কর্মক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। আবার পরবর্তী শক্তি ও দক্ষতার এবং সুস্থতা নির্ভর করে আপনার পর্যাপ্ত ঘুমের ওপর।
বৈজ্ঞানিকেরা গবেষণা করে দেখতে পেয়েছেন। টানা কয়েকদিন রাত জাগার কারণে শরীরের ভিতর থেকে দুর্বল হইতে শুরু করে। প্রতিনিয়ত রাত জাগার কারণে আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রকম রোগ ব্যাধি । এবং কমে যাবে আয়ুও।
আরো পরুন:১০টি কৌশল জেনে রাখুন যা আপনার মানসিক ও স্বাস্থ্য ভালো রাখবে
আপনারা জেনে রাখুন রাত জাগার ৫ টি মারাত্মক ক্ষতিকর দিক,
১/ত্বকের সৌন্দর্য হ্রাস: না ঘুমানোর কারণে হরমোনের ক্ষতি হয়ে থাকে।স্ট্রেস হরমোন ও অনেক বেশি বেড়ে যায়, এর কারণে ইফেক্ট পড়ে ত্বকের, মুখে অনেক ব্রণ থাকে , এর সঙ্গে বয়সের ছাপ ও দেখা যায় । চোখের নিচে কালো দাগ এসবও দেখা যেতে পারে, যা মোটেই ভালো না।
২/ওজন বৃদ্ধি:২০১৪ সালের দিকে একটি স্টাডিতে দেখা গিয়েছিল, অত্যন্ত ৬ থেকে ৭ ঘন্টা না ঘুমানোর কারণে ৩০% লোকের ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে যাওয়া আশঙ্কা থাকে।
রাত জেগে থাকার কারণে, স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি ক্ষুধা লাগতে শুরু করে, এবং ক্ষুধা নিবিডরন করলেই আমাদের অনেক বেশি ওজন বেড়ে গিয়ে কোলেস্টেরলও বৃদ্ধি হয়, যা আপনার হার্টের জন্য ক্ষতির কারণ।
৩/সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া: একনাগারে কয়েক মাস ঘুম জায়গার কারণে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের বিশেষ বিশেষ কিছু অংশ অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়ে যায়।এবং আপনারা সঠিক সময়ে অনেক বড় বড় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন ।
৪/উচ্চ রক্তচাপ: টানা ২ থেকে ৩ দিন ঘুম জায়গার কারণে শরীর অনেক ক্লান্ত হয়ে যায়। যার কারণে পড়া শুনাতে মনোযোগ বসেনা।
কোন কিছু ভাল লাগেনা। খাবার ঠিকমতো খাওয়া যায় না। যার প্রভাবে উচ্চরক্তচাপ হয়ে থাকে। আপনারা যদি তা তা নিয়ন্ত্রণ না করেন তবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে ।
৫/হার্টের ক্ষতি: গবেষণায় দেখা গিয়েছে হাড়ের সাথে ঘুমের সরাসরি কানেকশন রয়েছে আপনারা পরিমাণ মতো না ঘুমাইলে ধীরে ধীরে হার্টের কার্যক্ষমতায় ব্যাঘাট ঘটে। এবং হার্ট অ্যাটাকের ব্যাঘাত ঘটার অসংখ্যা রয়েছে।
আপনারা নিয়মিত দৈনিক সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমাবেন। ঘুম ক্লিয়ার না হইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন নিজে ভাল থাকুন ,পরিবারকে সুস্থ রাখুন।




Comments
Post a Comment