সাবধান হস্তমৈথুন করলে শরীর যেগুলো প্রভাব পড়ে জেনে রাখুন,
আপনাদের হস্তমৈথুন থেকে বাঁচতে হলে পণ্যগ্রাফি দেখার অভ্যাস এড়িয়ে চলতে হবে । হস্তমৈথুনের কথা মাথায় আসার আগে আপনার পছন্দের কাজের সঙ্গে ব্যস্ত থাকতে হবে,এবং শরীর চর্চা করতে পারেন।তাহলে আপনি হস্তমৈথুন থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন।
অনেক বেশি হস্তমৈথুনের কারণে যেগুলো প্রভাব পড়ে''
• ব্রেনের অনেক উদ্দীপনা বেড়ে যাওয়া।
• আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া।
• ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া।
• শরীর স্বাস্থ্য কমে যাওয়া।
• মুখে অনেক বরুণ দেখা দেওয়া।
• অশ্লীল ভিডিওতে আসক্ত হওয়া।
• খারাপ সিদ্ধান্ত মাথায় নেওয়া।
• ধৈর্য ও মনোযোগ কমে যাওয়া।
• অপরাধবোধ এবং লজ্জা অনেক আকারে বেড়ে যাওয়া।
• দুর্বল হয়ে পড়া এবং নিজের উপরে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা।
নিজেকে ব্যস্ত রাখতে কী করতে পারেন,,
নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্য বন্ধুবান্ধব পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজন এর সঙ্গে কোথাও ঘুরতে গেলেন, বা গল্প করলেন। এটাও সময় কাটানোর জন্য বড় ভূমিকা রাখে।
হস্তমৈথুন করলে যেসব ক্ষতি হয়,,
আপনার যদি হস্তমৈথুন করেন, তাহলে মানসিকও শারীরিক অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। হস্তমৈথুন করলে শরীর আস্তে আস্তে ভেঙ্গে যায় । খাওয়া-দাওয়া খাওয়ার রুচি থাকে না। শরীর দুর্বল হয়ে যায়, কোন কিছু ভালো লাগে না,
আপনারা কিভাবে হস্তমৈথুন ছাড়তে পারবেন,,
আপনি যদি হস্তমৈথুন থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পেতে চান তাহলে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি এবং চটি গল্প এগুলা যদি আপনার গ্যালারিতে থাকে সেগুলা এক্ষুনি ফোন থেকে মুছে ফেলবেন। এবং ইন্টারনেট ব্রাউজারে যেসব খারাপ ভিডিও আপনি প্রতিনিয়ত দেখেন , সেগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। এবং আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন বেশি বেশি আমল করতে হবে হস্তমৈথুন ভুলে থাকার জন্য বেশি বেশি নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে।
ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন:
গোসল করার সময় এমন ইচ্ছা জাগলে শুধু ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন দ্রুত গোসল শেষ করে বাথ রুম থেকে বের হয়ে যান।অলসতা কাজ থেকে বিরত থাকুন, আপনারা সব সময় অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন, আপনারা আগে আগে সারাদিনে কি করবেন, খাতায় বা ফোনে নোট পেজে লিখে রাখতে পারেন তারপর শিডিউল ঠিক করে রাখুন, তারপর একটা একটা করে কাজ করে যান , হস্তমৈথুনের চিন্তা কখনো মাথায় আসবেনা।
আপনার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন,
একা একা কখনোই সময় কাটাবেন না, এবং একটা রুমে একাই কখনো থাকবেন না, যারা একা একা থাকতে পছন্দ করে এবং যারা আড্ডা দেয় না, তারাই বেশি হস্তমৈথুন করে।
সৃষ্টিশীল কাজ করুন:
বসে থেকে সময় নষ্ট করবেন না। সময় কাজে লাগ, নিজেকে ব্যস্ত রাখলে হস্তমৈথুনের কথা মাথা থেকে চলে যাবে।সব বাজে জিনিসগুলোও জীবন থেকে হারিয়ে যাবে।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন:
নিয়মিত খেলাধূলা ও ব্যায়াম করুন। এতে মনে শৃঙ্খলাবোধের সৃষ্টি হবে। নিয়মিত হাঁটতে পারেন, দৌঁড়াতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন, জিমে গিয়া ব্যায়াম করতে পারেন। বিকেলে ফুটবল, ক্রিকেট- যা ইচ্ছে, কিছু একটা করুন।
আপনারা শখের কাজ করুন:
যেমন গান শোনা ছবি আঁকা। বাগান করতে পারেন, নিজের রান্না নিজে করতে পারেন। আপনি যা করতে বেশি পছন্দ করেন, সেটাই করবেন। কিছুদিন পর আবার আরো নতুন কিছু করতে বা জানতে চেষ্টা করুন।
ধৈর্য ধরার অভ্যাস গড়ে তুলুন:
বেছে থাকতে হলে ধৈর্য ধরতে হবে। ধৈর্যের ফল সুমিষ্টি হয়। আপনারা মনে করেন একদিন নেশা থেকে অনেক সহজে মুক্তি পাবেন এমনটা কখনোই হবে না। ধৈর্য ধরে থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকে আস্তে আস্তে বের হওয়া যায়, মাঝে মাঝে ভুল হবে। তখন আপনারা হতাশ হবেন না এবং ছেড়ে দিবেন না ভুল থেকে আবার শিক্ষা নিতে হবে।
নিজেকে পুরস্কৃত করুন:
ভালো কাজ করলে নিজেই নিজেকে পুরস্কৃত করবেন। ভালো কোন জায়গাত ঘুরতে যাবেন। ভালো কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে আসবেন। নিজেকে ছোট ছোট গিফট কিনে দেবেন এবং সেগুলো চোখের সামনে রাখবেন এবং মনে করবেন যে অমুক ভালো কাজের জন্য এই জিনিসটা পেয়েছিলেন।
যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। অফুরন্ত সময় থাকলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ুন। দেশের জন্য সেবামূলক কাজ করতে পারেন।
আপনারা নিয়ম করুন এবং নিয়ম
মেনে চলুন:
যেমন প্রথম নিয়ম থাকবে টানা দুই দিন হস্তমৈথুন করবেন না, যখন দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না তখন ধীরে ধীরে সময় বাড়িয়ে নিবেন। যখন আপনাকে হস্তমৈথুন করতে ইচ্ছা করবে, তখন পছন্দের কাজে ব্যস্ত থাকবেন বা বাইরে কোথাও ঘুরতে যাবেন এবং জোরে জোরে হাটুন।
অবশ্যই বিরক্তি কে কাটাতে সচেষ্ট হয়। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বারের বেশি এটাকে করা স্বাভাবিক হতে পারে। যদিও, যদি হস্তমৈথুন করবার ইচ্ছা দিনে একাধিকবার হয় তখন এটি চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে। টানা ২০ বার করলে এটি নানা রকম শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে
পারে যেগুলি নিচে উল্লেখ করা হলো:
অতি সাধারণ সেটি কখনো খুবই বেশি হয়ে ওঠে অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের জন্য। পুরুষ এবং স্ত্রী উভয় ক্ষেত্রেই এই অভ্যাসের জন্য যৌন ক্লান্তি এবং জেনেটিক সংক্রমনের পুনরাবৃত্তি হতে পারে।
আরও টিপস পেতে ক্লিক করুন



Comments
Post a Comment