সব সময়ে ঠোঁট ফাটা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

সব সময়ে ঠোঁট ফাটা

নেকের কি-গ্রীষ্ম কি-শীত সব সময় ঠোঁট ফাটে। এ অবস্থায় করণীয় কী?

• সব সময় ঠোঁট ফেটে থাকার কারণ অনেক। তার মধ্যে অন্যতম কারণটি হচ্ছে জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর অভ্যাস। প্রথমত এ অভ্যাসটি ত্যাগ করতে হবে।

এছাড়া আর যা করতে হবে তা হলো গোসল, আহার ইত্যাদি শেষ হবার সাথে সাথেই অর্থাৎ ঠোঁট পুনরায় শুকিয়ে যাবার আগেই ঠোঁটে ভেসলিন বা গ্লিসারিন বা মেরি ব্যবহার করতে হবে।



ঠোঁটের চামড়া ওঠা

অনেকেরই ঠোঁটে একদিন পরপর সাদা সাদা চামড়া ওঠে। প্রতিদিন চামড়া টেনে তোলাতে ঠোঁট মোটা হয়ে যায়। এটা কি কোনো রোগ? এর প্রতিকার কী?




• বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগে ঠোঁটের চামড়া এভাবে উঠে থাকে, সেক্ষেত্রে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে নেয়াই উত্তম। যদি চর্মরোগের কারণে চামড়া না ওঠে তাহলে যা করতে হবে-


(এক) চামড়া টেনে তোলা যাবেনা। এতে সমস্যাটা বেড়ে যাবে।


(দুই) জিহবা দিয়ে ঠোঁট ভেজানো যাবেনা।


(তিন) গোসল, মুখ ধোয়া এবং আহারের পরপরই ঠোঁটে ভেসিলিন মাখতে হবে।

ঠোঁটে লিপস্টিক ও ক্যান্সার আতংক

কারো কারো ধারণা ঠোঁটে লিপস্টিক লাগালে ঠোঁটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কথাটা কি সত্য?




• না, আদৌ সত্য নয়। লিপস্টিক লাগালে ঠোঁটে ক্যান্সার হবার কোনো ঝুঁকি নেই তবে লিপস্টিকে এলার্জি হতে পারে। যদি এলার্জি হয় তাহলে লিপস্টিক ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।


বিনা ধুমপানে কালো ঠোঁট

অনেকে ধূমপান করেন না কিন্তু তা সত্ত্বেও ঠোঁট কালো হয়। এর সমাধান কী?



• ধূমপান না করলেও অনেকের ঠোঁটের রং কালো হতে পারে। এতে করণীয় কিছুই থাকেনা। কেউ কেউ ঠোঁটে সানস্ক্রীন ক্রিম ব্যবহারের কথা বলে থাকেন।



সানস্ক্রীন ক্রিম ব্যবহার করে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ঠোঁটকে রক্ষা করা যায়। তবে অনেকের অভ্যাস থাকে জিহবা দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর। এ অভ্যাসের কারণে ঠোঁট কালো হতে পারে। অভ্যাসটি ত্যাগ করলে উপকার পাওয়া যায়।



ব্রণ ওঠার কারণ,

কারো কারো মুখে প্রচুর ব্রণ ওঠে, দেখতে বিশ্রী লাগে। ব্রণ থেকে মুক্তির উপায় কী?




• ব্রণ আর হবেনা এমন চিকিৎসা ব্যবস্থা আবিষ্কৃত হয়নি। এটি যাদের হয় তাদের একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত হতেই থাকে। তবে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্রণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া যায়, ব্রণের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে মুখমণ্ডলকে রক্ষা করা যায়।



ব্রণ সারানো সময় সাপেক্ষ ব্যাপার, ধৈর্যসহকারে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে চিকিৎসা নেয়াই মঙ্গল।




অন্যথায় মুখে ব্রণের কালো দাগ ও গর্তের দাগ বসে যাবে। ব্রণের চিকিৎসা নির্ভর করে ব্রণের অবস্থার উপর। চিকিৎসার পাশাপাশি কিছু উপদেশও মানতে হয়। চিকিৎসা নিতে হয় ধৈর্য সহকারে।


পর্যায়ক্রমে ধাপেধাপে ব্রণের চিকিৎসা নেয়া লাগতে পারে। হঠাৎ করে ব্রণ সারিয়ে তোলা সম্ভব নয়। চর্ম বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানেই ব্রণের চিকিৎসা করানো বাঞ্ছনীয়।



সামান্য ব্রণ

অনেকের মুখে ছোট ছোট কিছু দানার মত ওঠে, যা পেঁকে গিয়ে বা চাপ দিলে সাদা শাঁসের মত বের হয়। এক সময়ে চলে যায়। এ অবস্থায় করণীয় কী?



• এটি এক ধরনের ব্রণ। এ ক্ষেত্রে রেটিন-এ ক্রীম (.০৫%) শুধুরাতে দানার উপর লাগিয়ে দিতে


Comments

Popular posts from this blog

সাবধান হস্তমৈথুন করলে শরীর যেগুলো প্রভাব পড়ে জেনে রাখুন,

সাবধান জেনে নিন , রাত জাগলে কি হয় , এবং তার ক্ষতিকর দিক গুলো:

বাচ্চাদের পেটের সমস্যা? জানুন এর লক্ষণ ও প্রকারভেদ